উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট
পরামর্শপত্রটি ব্যবস্থাপনা ও ইউনিয়নের গঠনমূলক সহযোগিতার সঙ্গে কর্মীবাহিনীর উদ্দীপনা, উৎপাদনশীলতা, ব্যবসা টিকে থাকার সক্ষমতা এবং কর্মীদের আয়ের যোগসূত্র দেখায়। এর ব্যাখ্যামূলক টীকায় ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের বিরোধমূলক সম্পর্ক থেকে সিঙ্গাপুরের যৌথ দরকষাকষি, সমঝোতা, সালিশ এবং ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্বের দিকে এগোনোর কথা বলা হয়েছে। সরকারের সহায়ক ভূমিকা এবং অর্থনৈতিক মন্দা ও SARS-এর সময় সহযোগিতা দেখায় যে সংকটের আগেই সম্পর্ক গড়ার মূল্য আছে।
ছয়টি নীতি
নিয়মিত পরামর্শ ও বিরোধের সময় নীতিগুলো একসঙ্গে প্রয়োগ করুন।
| নীতি | প্রয়োগ |
|---|---|
| সহযোগিতা | উভয় পক্ষের প্রয়োজন বিবেচনা করে পরামর্শ ও সংলাপের পথ নিন। |
| নেতৃত্ব ও ক্ষমতাপ্রদান | প্রতিনিধিদের আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছানো ও তা পালনের অঙ্গীকার করার ক্ষমতা থাকা দরকার; নেতাদের দায়িত্ব নিতে হবে। |
| আস্থা, সম্মান ও সততা | সৎভাবে, সদিচ্ছা নিয়ে এবং সীমাবদ্ধতা বুঝে পারস্পরিক লেনদেন করুন। |
| তথ্য ভাগ করা | স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য দিন। |
| পেশাদারিত্ব | বস্তুনিষ্ঠ তথ্য, ব্যবসা ও অর্থনীতি সম্পর্কে যথাযথ ধারণা এবং ন্যায্য অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া ব্যবহার করুন; প্রয়োজনে মধ্যস্থতা নিন। |
| অভিন্ন উদ্দেশ্য | যৌথ লক্ষ্য গড়ুন, দীর্ঘমেয়াদি ও বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিন এবং উভয়ের পক্ষে কার্যকর সমাধান খুঁজুন। |
নীতিগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করা
নিয়মিত পরামর্শসভা নির্ধারণ করুন, কারা সমঝোতা অনুমোদন করতে পারেন তা স্পষ্ট করুন এবং সবার ব্যবহারযোগ্য অভিযোগ জানানোর পথ তৈরি করুন। শুধু নিজ নিজ অবস্থান থেকে দরকষাকষি না করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবসা ও কর্মীবাহিনীর প্রাসঙ্গিক তথ্য ভাগ করুন। পরামর্শপত্রটি ভালো চর্চাকে উৎসাহিত করে; এটি প্রযোজ্য শ্রমসম্পর্ক আইন বা যৌথ চুক্তির বিকল্প নয়।
