প্রতিষ্ঠানের সহায়তা
ইনফোগ্রাফিকটি ত্রিপক্ষীয় পরামর্শকে ব্যবহারিক করণীয়ে রূপ দিয়েছে: সুস্থতার অবস্থা ও মানসিক চাপের কারণ মূল্যায়ন করুন, মানসিক সুস্থতার উদ্যোগে নেতৃত্বদাতা নিযুক্ত করুন, মানবসম্পদ নীতি পর্যালোচনা করুন এবং কর্মঘণ্টার পর যোগাযোগের বিষয়ে স্পষ্ট প্রত্যাশা নির্ধারণ করুন। মানসিক সুস্থতা এবং কাউন্সেলিং বা Employee Assistance Programme (EAP)-এর সেবা পাওয়ার সুযোগ অন্তর্ভুক্ত করে নমনীয় কর্মীসুবিধা দেওয়ার কথা বিবেচনা করুন। ইতিবাচক পরিবেশের জন্য কার্যকর বাস্তব চর্চা দরকার, শুধু সচেতনতামূলক কার্যক্রম যথেষ্ট নয়।
ব্যবস্থাপক ও সহকর্মী
প্রাসঙ্গিক কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যবস্থাপক, মানবসম্পদকর্মী, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য (WSH) প্রতিনিধি এবং ইউনিয়ন নেতাদের দক্ষতা গড়ে তুলুন; মানসিক কষ্টের লক্ষণ চিনতে তত্ত্বাবধায়কদের প্রশিক্ষণ দিন এবং নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার সময় কাজের চাপ পর্যালোচনা করুন। খোলামেলা আলোচনা ও অনানুষ্ঠানিক সহায়তার নেটওয়ার্ক উৎসাহিত করুন; কখন ও কোথায় পেশাদার সহায়তা নিতে হবে তা নির্দিষ্ট করে পরবর্তী স্তরে সহায়তার জন্য পাঠানোর নির্দেশনা রাখুন।
কর্মী ও অন্তর্ভুক্তি
কর্মীরা যোগাযোগ বজায় রাখতে পারেন, নিজের সুস্থতার যত্ন নিতে পারেন এবং শুরুতেই সহায়তা চাইতে পারেন। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনার গোপনীয়তা রক্ষা করুন এবং কাজসংক্রান্ত প্রয়োজন ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন করুন। চিত্রটি ব্যবহারিক সারসংক্ষেপ; পূর্ণ পরামর্শপত্রে নীতি প্রণয়ন, কাজে ফিরে আসা ও সহায়তার উপকরণ আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
