উদ্দেশ্য ও পরিচালনামূলক নীতি
১৮ পৃষ্ঠার সেমিনারটিতে সংকটকালে যোগাযোগকে ঘটনার আগে, চলাকালে ও পরে চলমান সংলাপ হিসেবে দেখা হয়েছে, যা সংকট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সমন্বিত। এর লক্ষ্য সময়মতো সঠিক তথ্য, প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল আচরণ, জনসাধারণের আস্থা ও মানুষের যত্ন নিশ্চিত করা। এর পাঁচটি নীতি হলো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, উন্মুক্ততা, দায়িত্ব, সহমর্মিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ।
যোগাযোগের আগে
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, মূল্যবোধ, নীতি, প্রতিবেদন দেওয়ার মাধ্যম ও সংবেদনশীল বিষয়গুলো বুঝুন। উদ্দেশ্য, শ্রোতাগোষ্ঠী, মূল বার্তা, যোগাযোগের মাধ্যম ও মূল্যায়ন নির্ধারণ করুন। প্রয়োজন হওয়ার আগেই সংকট মোকাবিলা দল ও মুখপাত্র চিহ্নিত করুন। সম্ভাব্য প্রশ্ন বিবেচনা করে সঠিক উত্তর প্রস্তুত করুন।
সামঞ্জস্যপূর্ণ সাড়াদান
একাধিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করলেও সমন্বয় কেন্দ্রীভূত রাখুন। দ্রুত যোগাযোগ করুন, যাচাই করা ভালো ও খারাপ খবর প্রকাশ করুন, অনিশ্চয়তা সৎভাবে ব্যাখ্যা করুন এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করুন। ব্যবহারিক নির্দেশনার সঙ্গে আশ্বাস দিন। মূল বার্তা সাড়াদানকে দিকনির্দেশ করবে, তবে তা কখনো তথ্যের বিকল্প হতে বা তথ্য বিকৃত করতে পারবে না।
মুখপাত্র, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম
তথ্য প্রতিষ্ঠা, বিবৃতি প্রস্তুত, প্রশ্নের উত্তর ও একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিবরণ সমন্বয়ের জন্য বিশ্বাসযোগ্য, অবহিত ও প্রশিক্ষিত মুখপাত্র ব্যবহার করুন। উপযুক্ত সংবাদবিবৃতি, সাক্ষাৎকার, সংবাদ সম্মেলন, ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যম বেছে নিন। গুজব, উসকানিমূলক মন্তব্য ও মিথ্যা দাবি পর্যবেক্ষণ করে অপ্রয়োজনীয় বিরোধ এড়িয়ে সংশোধন করুন। হামলার পরের বার্তায় জাতিগোষ্ঠী, ধর্ম বা জাতীয়তা নির্বিশেষে সবার পাশে থাকা উচিত।
