সুস্থতা ও মানসিক অসুস্থতা
প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, জীবনের ওঠানামার মধ্যে মানুষ কীভাবে ভাবে, অনুভব করে ও আচরণ করে, তা মানসিক স্বাস্থ্যের অংশ। সুস্থতা শুধু অসুস্থতা না থাকা নয়: নিজের সামর্থ্য বোঝা, চাপ সামলানো, উৎপাদনশীলভাবে কাজ করা ও সমাজে অবদান রাখাও এর মধ্যে পড়ে। মানসিক অসুস্থতা যেকোনো ব্যক্তির হতে পারে এবং দুর্বলতার লক্ষণ নয়; প্রকাশনায় মানুষের বেড়ে ওঠা, বসবাস ও কাজের পরিবেশের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে।
শারীরিক, সামাজিক ও আবেগগত যত্ন
শারীরিক যত্নে প্রচারপত্র প্রতিদিন বিশ্রাম, ব্যায়াম, ভালো খাওয়া ও ঘুম এবং অসুস্থ হলে কাছের Migrant Worker Medical Centre-এর সাহায্য নেওয়ার কথা বলে। সামাজিক যত্ন হলো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ, একে অন্যের খোঁজ রাখা ও নিরাপদে একসঙ্গে কার্যক্রম উপভোগ করা। মূল নথিতে সামাজিক দূরত্ব ও মাস্কের কথা আছে, যা মহামারিকালের প্রেক্ষাপট দেখায়। আবেগগত যত্নে নেতিবাচক চিন্তা খেয়াল করা, কৃতজ্ঞতা, লেখা বা ধ্যান এবং সহকর্মী কাউন্সেলরের সাহায্য অন্তর্ভুক্ত।
সহায়তা চাওয়ার নয়টি লক্ষণ
চিত্রে দেখানো নয়টি লক্ষণ হলো কম বা অতিরিক্ত ঘুম; অ্যালকোহলের ওপর নির্ভরতা; বিরক্তি বা রাগ; অস্বাভাবিক কথা বলার মতো আচরণ বদল; ওজন কমা বা বাড়া; চিন্তা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা; আগ্রহ হারানো; ঘন ঘন ভয় এবং/অথবা দ্রুত হৃদস্পন্দন বা শ্বাসকষ্ট; এবং দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা। প্রকাশনায় বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে মন খুলে কথা বলা এবং House Officer, Peer Leader বা চিকিৎসাকেন্দ্রের সাহায্য নিতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি উৎস
MOM-এর সরকারি উৎসের ভিত্তিতে স্বতন্ত্রভাবে লেখা।
